••••••••° কিং অফ ম্যাজিক °••••••••
✓
✓
✓
✓
✓✓ লেখক নীল আহমেদ
✓
✓
✓
✓
✓✓ পর্ব ২০✓✓
✓
✓
✓
(গল্পটি কাল্পনিক , বাস্তবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই)
।।
।।
।।
।।
আমি - জানি না এখন কি অবস্থা রাজ্যের , দীর্ঘ দিন কেটে গেছে । আমরা লাইটিং কিং উইলি এর সাথে দেখা করি তারপর তার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সেই হিসেবে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি এখানে প্রায় দেখতে দেখতে ৭ মাস কেটে গেছে যা বাইরের দুনিয়ায় ১ মাসের সমান। ।
।
ফ্ল্যাশব্যাক -----
আমি - তৃতীয় জোন পেরিয়ে চতুর্থ জোন এর মধ্যে আছি এখন , এগিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ সামনে একটা বিস্ট চলে আসে বুঝতেই পারছি এটা এক্সট্রিম লেভেলের বিস্ট। কিন্তু ভাবলাম পেরিয়ে চলে যাবো দেখতে পাবে না কিন্তু আমাদের এই চিন্তা ভুল হয়ে দাঁড়ালো। বিস্ট টা আমাদের দিকে চেয়ে আছে তখনি চিন্তায় পড়ে গেলাম সেকি আমাদের দেখতে পাচ্ছে নাকি। পরে বুঝলাম এখানে ওই বিস্ট আমাদের এনার্জি অনুভব করতে পারছে কারণ চতুর্থ জোনের মধ্যে আমাদের স্পিড অনেক কমে গেছে , আমাদের হাতে বেশি সময় নেই কিছুক্ষনের মধ্যে আমরা আবার দৃশ্যমান হয়ে যাবো আর এদিকে বিস্ট টা এনার্জি অনুভব করে আমাদের পিছে আসছে । কিছু বুঝতে পারছি না কি করবো। তারপরই আরভিন তার টাইম স্কিপ ইউজ করে আমাদের আরো এগিয়ে দেই । আমরা একটা সেফ জায়গায় রেস্ট নিতে শুরু করি , আরভিন এর কাছে যদিও বেশি এনার্জি ছিল না তবুও সে আমাদের কাছে প্রোটেকশন শিল্ড দিয়ে রেখে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমি আর জেসি গল্পঃ করতে থাকি। এভাবে ঘন্টাখানেক অতিবাহিত করে আমি খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পরি। খাবার খুঁজতে আমি অনেক দূরে চলে যায় সেখানে একটি গাছে আপেলের মত ফল দেখে ওগুলো সংগ্রহ করতে থাকি । ফিরার পথে দুটো ম্যাজিকাল বিস্ট এর দেখা পায় একটি ছিল সিংহের মত আর একটা ঘোড়ার মত যতটা সম্ভব এদের পার্টনার বানানো যায় যেহেতু আমার আছে তাই আমি প্রথমে নিতে না চাইলেও শেষে ঘোড়া তাকে নিজের পার্টনার বানিয়ে নিলাম যাতে কোনো জায়গায় বিনা ম্যাজিক খরচ করে তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে পারি এমনিতেই এই জঙ্গলে আমাদের এটার দরকার পরবে। সিংহ তাকে হারাতে আমার অনেক এনার্জি নষ্ট হয়েছে কারণ এদের শক্তি অনেক। আমি আমাদের ক্যাম্প এ ফিরে কাওকে দেখতে পায়নি। ভয় হতে শুরু করলো । গেলো কোথায় এরা। আসে পাশে খুঁজলাম পেলাম না কাওকে ।
আরভিন - ঘুম থেকে উঠে দেখি অনেক বিস্ট এসে বেরিয়ার ভাঙার চেষ্টা করছে । জেসি নামের মেয়েটি কে দেখি ভয়ে কুকড়ে গেছে । আমার এনার্জি রিকভারি হলেও এত জনের সাথে পারবো না তাই ওখান থেকে পালিয়ে যায়। চিন্তা থাকে নীল এসে আমাদের যদি খুজে না পায়।
জেসি - এখন কি হবে , আমরা তো অনেক দূরে চলে এসেছি , নীল কিভাবে খুজেঁ পাবে আমাদের ।
আরভিন - আর একটি অপেক্ষা করি তারপর আবার ওদিকে যাবো খুঁজতে।
আমি - ওদের অনেক খুঁজেও যখন পেলাম না , তখন আরভিন এর এনার্জি অনুভব করতে লাগলাম।
ইকারাস - আমি ওদের খুজে পেয়েছি চলো যাওয়া যাক।
লুসিফার - তবে আমি সেফ জায়গা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছি । আসে পাশের বিস্ট থেকে লুকিয়ে । ইকারাস আমাকে ওদের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে আমি যেভাবে বলছি চলো।
আমি - লুসিফার আর ইকারাস এর জন্য ওদের কাছে পৌঁছে গেলাম, তারপর খাওয়া দাওয়া সেরে আমার নতুন পার্টনার যার নাম দিয়েছি আর্কেন। আর্কেনের সাহায্যে আমরা খুব দ্রুত পৌঁছে গেলাম পঞ্চম জোন এর মধ্যে। ওখানে কেমন একটা অনুভুতি হতে শুরু হলো, মনে হচ্ছে আমরা কোথায় একটা চলে এসেছি , চলতে অসুবিধে হচ্ছে , নিজেকে ভারী ভারী মনে হচ্ছে ।
আরভিন - আরে এতো অসুবিধে হচ্ছে কেনো ভাই এখানে ।
আমি - বুঝতে পারছি না । কিন্তু এই মেয়ে দিব্যি হেঁটে যাচ্ছে কি করে।
জেসি - কি হলো ,তোমরা এত আস্তে আস্তে আসছো কেনো ?
আমি - এই মেয়ের কি কিছু মনে হয় নি নাকি
আরভিন - আমি কিছু বুঝতে পারছি না।
এখানে কি দরকার তোমাদের , এখানে কেনো এসেছো???
আমি - কে বলছেন ? আপনাকে দেখতে পারছি না তো
আমি এখানে নেই তো দেখবে কি করে। আমার এখানে এসেছো তাই আমি আমার জায়গা থেকে তোমাদের সাথে কথা বলছি ।
আমি - আমি লাইটিং কিং এর সাথে দেখা করতে এসেছি , তাকে খুব দরকার । এডোয়ার্ড নামের একজন এসেছে তাকে আটকাতে আমাকে কিছু শক্তি নিজের মধ্যে কন্ট্রোল করা শিখতে হবে ।
ওহ ঠিক আছে তাহলে এখানে আসার চেষ্টা করো।
আরভিন - যেতে তো চাইছি কিন্তু এত নিজেদের ভারী লাগছে কেনো আর ওই মেয়ে দিব্যি হেঁটে যাচ্ছে কি করে।
হাহাহা,, কারণ ওর কাছে ম্যাজিক স্কিল নেই তাই। তোমাদের এখানে আসতে হলে তোমাদেরও ওটা কন্ট্রোল করতে হবে , যাতে তোমার থেকে কোনো ম্যাজিক অনুভব না করতে পারে । তবেই ওই মেয়ের মতো আসতে পারবে ।।
আমি - কিন্তু কিভাবে করবো সেটা
আমি কেনো বলবো , তোমরা চেষ্টা করো।
আমি - আপনি বুঝতে পারছেন না বাইরে কি চলছে , এখন একটু দেরিও অনেক কিছু হয়ে যাবে।
বাইরের কিছু নিয়ে আমার কিছু যায় আসেনা । আর সে যদি এখানে আসতে চায় তবুও সে যতই শক্তিশালী হোক আমার কিছু করতে পারবে না। আর আমি না চাইলে কেও এখানে প্রবেশ করতে পারবে না। চলো তোমরা চেষ্টা করতে থাকো।
জেসি - বলছি আপনার তো অনেক বয়স, আমি কি আপনাকে দাদু বলতে পারি?
আহ অনেক দিন পর এটা শুনলাম , হা তুমি চলে এসো আমার কাছে । এদের আসতে করতে তোমার সাথে কথা বলবো।
জেসি - আচ্ছা ,, এই তোমরা চেষ্টা করতে থাকো।
আমি - কি মেয়েরে বাবা।
আরভিন - কি করবি এখন।
আমি - দেখ কি করতে পারি।
আরভিন - ওই একটা জিনিস ভেবে দেখেছিস ?
আমি - কি
আরভিন - লোকটা বললো যে উনি না চাইলে কেও প্রবেশ করতে পারে না তাহলে আমরা আসি এটা লোকটা চেয়েছে।
আমি - হ্যা তার মানে লোকটা জানে আমরা এটা পারবো ঠিক।
আরভিন - হ্যা , একটু ভাবতে দে তুইও ভাব।
আমি - ইকারাস তুমি কিছু বলতে পারবে?
ইকারাস - লুসিফার পারবে।
লুসিফার - আমার মনে হচ্ছে তোমরা একটা জায়গায় বসে নিজেদের মধ্যে ঢুকার চেষ্টা করো এবং নিজের ম্যাজিকাল পাওয়ার কে অনুভব করে সেটা কে কন্ট্রোল করো যাতে সেটা বাইরে থেকে কেও অনুভব করতে না পারে ।
আমি - আবার করতে হবে । ঠিক আছে চেষ্টা করছি।
এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আমরা ধ্যান করছি কিন্তু কিছু হচ্ছে না । মূলত বাইরে কি হচ্ছে সেসব নিয়ে চিন্তায় ঠিক করে মন বসাতে পারছি না ।
আরভিন - অনেক্ষন ধরে বসে থাকার পর উঠে দাড়ালাম , নিজেকে পরীক্ষা করতে কয়েক কদম এগিয়ে গেলাম দেখলাম আর সমস্যা হচ্ছে না । নীল আমার হয়ে গেছে , আমি এগিয়ে যাচ্ছি তোমার প্রশ্ন গুলো বলে দাও।
আমি - ধুর হচ্ছে না, ভালো লাগে না , এরপর কি কি জানতে হবে বা আমাদের কি জন্য এখানে আসা সেটা আরভিন কে ভালো করে বুঝিয়ে দিলাম দিয়ে ওকে পাঠিয়ে দিলাম। আমি আবার নিজের মধ্যে ঢুকার চেস্টা শুরু করলাম।
লুসিফার - নীল বাইরে কি হচ্ছে না হচ্ছে সেটা নিয়ে ভাবলে কিছু হবে না আমি আবারও বলছি তোমাদের এখানে অনেক শক্তিশালি অনেকেই আছে যারা এডোয়ার্ড কে এখন আটকাতে পারবে । তুমি নিজের দিকে ধ্যান দাও।
আমি - লুসিফার এর কথা শুনে আমি চেষ্টা করলাম প্রায় দুই ঘণ্টার মত চেষ্টা করে আমি সফল হলাম।
তারপর আমি সামনে এগিয়ে গেলাম।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
জেসি - হ্যা দাদু তারপর এরা আমাকে উদ্ধার করে অন্য রাজ্যে নিয়ে যাচ্ছিল তারপর নীলের জন্য এখানে আসা ।
আরভিন - আপনি তো এখানে অনেক দিন ধরে আছেন তাহলে আপনি তো সবই জানেন।আপনাকে তো বললাম এখানে আসার কারণ তাহলে আপনি কিছু উপায় বলে দেন।
আমার নাম হচ্ছে উইলি তবে এখন আর কিং না বললেও চলবে । আমার গল্পঃ ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ।
তারপর আমি এখানেই আছি।
আরভিন - ওরে বাবা, অনেক কিছুই হয়েছে আপনার সাথে। কিং এর আপনি অনেক ভাল বন্ধু ছিলেন তারপর আমি এডোয়ার্ড কে হারানোর সময় ছিলেন তাহলে আপনি তো কিভাবে হারাতে হয় এটা ভালো জানেন।
আমি - কি নিয়ে কথা হচ্ছে
আরভিন - তুমি তাহলে পেরেছো , অনেক কিছুই কথা হয়েছে আর আমি সবই বলেছি আর উপায় ও পেয়েছি । এডোয়ার্ড কে হারাতে তোমার লুসিফার এর শক্তির প্রয়োজন আছে , সেটা ছাড়া তুমি তাকে হারাতে পারবে না। আর তোমার শরীর লুসিফার এর শক্তি পাঁচ মিনিটের বেশি নিতে পারবে না , এর প্রমাণ তুমি আগেই পেয়েছ তোমার পুরো শরীর ড্যামেজ হয়ে গেছিলো এবারও হবে যদি লুসিফার তোমাকে কন্ট্রোল করে ।
আমি - আরে প্রবলেম না উপায় জানতে চেয়েছি ।
আরভিন - পুরো কথা তো শেষ করতে দেবে,,,, তো লুসিফার এর শক্তির জন্য তোমাকে সব থেকে প্রথম,,,,,,,,,
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
মিও - প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে লড়াই করে যাচ্ছি । স্পিরিট বোম্ব এত শক্তিশালী হবে ভাবতে পারিনি। আমার শরীর অনেক ড্যামেজ পেয়েছে, আমি আর বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারব বলে মনে হচ্ছে না।
এডোয়ার্ড - কি এনার্জি শেষ নাকি , হাহাহা তাহলে তো তোমার মৃত্যু এসে গেছে। "ব্লাক ফ্লেম " (এটা ফায়ার এর মতই তবে এর রঙ কালো) ইউজ করি ওর দিকে।
তখনি,,,,,,,,,,,
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
চলবে,,,,,,,,,
দুঃখিত একটু দেরি করে দেওয়ার জন্য, আসলে মাথায় তেমন কিছু আসছিল না। তবুও চেষ্টা করলাম।
।
।
।
।
।