••••••••° কিং অফ ম্যাজিক °••••••••
✓
✓
✓
✓
✓✓ লেখক নীল আহমেদ
✓
✓
✓
✓
✓✓ পর্ব ২১✓✓
✓
✓
✓
(গল্পটি কাল্পনিক , বাস্তবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই)
।।
।।
।।
।।
এডোয়ার্ড - কি এনার্জি শেষ নাকি , হাহাহা তাহলে তো তোমার মৃত্যু এসে গেছে। "ব্লাক ফ্লেম " (এটা ফায়ার এর মতই তবে এর রঙ কালো) ইউজ করি ওর দিকে, কিছুক্ষণ পর সেটা নিজেই অদৃশ্য হয়ে গেলো, দেখলাম মিও নামের মেয়েটি দাড়িয়ে আছে।
মিও - ব্লাক ফ্লেম আমার দিকে আসছিল এটা লাগল প্রায় আমার অস্তিত্ব থাকবে বলে মনে হয় না আমার শক্তি দিয়ে সেটা এবসর্ভ করে নিতে আমি সক্ষম হলেও আমার মধ্যে আর এনার্জি নেই আমি নিচে পড়তে শুরু করলাম, শেষ পর্যন্ত যাহোক করে দাড়িয়ে পড়লাম নিচে । এডোয়ার্ড উপর থেকে ডার্ক বল বানিয়ে ছুড়ে মারছিল কিন্তু এগুলো থেকে বাঁচবো সেটার শক্তি নেই টি দাড়িয়েই ছিলাম সেই সময় কিং এসে বল গুলো ধ্বংস করে দেয়।
কিং - মনে হচ্ছে সঠিক টাইম এ এসে পড়েছি । যা রেস্ট নে একে আমি দেখছি ততক্ষনে।
এডোয়ার্ড - যাইহোক আর একজন কে পেলাম।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
আরভিন - পুরো কথা তো শেষ করতে দেবে,,,, তো লুসিফার এর শক্তির জন্য তোমাকে সব থেকে প্রথম তোমাকে ইকারাস এর শক্তি পেতে হবে পুরো। ইকারাস কে তুমি কন্ট্রোল করতে পারলে আপাতত কাজ হয়ে যাবে , কারণ তাহলে লুসিফার যদি তোমাকে কন্ট্রোল করে তোমার কোনো অসুবিধে হবে না তবে তুমি যদি চাও ইকারাস এর পর লুসিফার এর শক্তি কন্ট্রোল করতে শিখতে পারো তবে এতে অনেক সময় লেগে যাবে। তবে তার আগে তোমাকে ব্লু স্টোনের শক্তি পেতে হবে।
আমি - সেটা কোথায় আছে ?
উইলি - এখানেই আছে , তবে খুঁজতে হবে তোমাকে। আমি তোমাকে দিয়ে দিতাম কিন্তু আমার নিজের মধ্যে আর শক্তি নেই যে ওটা এনে দেবো।
আমি - কেনো আপনার কাছে নেই কেনো?
উইলি - দেখো তখন আমি লড়াইয়ের মধ্যে আহত হয়ে এখানে আটকা পরি, তারপর যখন এখান থেকে বেরোতে পারিনা তখন এটাকেই আমার ঘর করে তুলি যার জন্য আমার অনেক এনার্জি নষ্ট হয়েছে, আবার আমার বাকি শক্তি আমি একটা স্টোনের মধ্যে সিল করে ফেলি যাতে কেও পরে এসে এটা নিতে পারে। তো তোমাকে এটা এই জোনের মধ্যে খুঁজতে হবে , আর এই পুরো জোনের কোনো শেষ নেই এটা একটা স্পেস বলতে পারো যার কোনো শেষ নেই , এবার কোথায় আছে সেই স্টোন ওটা খুঁজতে হবে তবে অনেক বাধা থাকবে সামনে সেগুলো থেকে বেঁচে তোমাকে ওটা উদ্ধার করতে হবে তাহলেই তোমার মধ্যে থাকা ইকারাস এর শক্তি তোমার মধ্যে চলে আসবে পুরো ভাবে , এবং তুমি সেটা ব্যবহার করতে পারবে, তবে লুসিফার এর শক্তি তোমাকে নিজে নিজেই কন্ট্রোল করতে হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছো।
আমি - ঠিক আছে , তবে কোন দিকে গেলে পেতে পারি সেটা তো বলবেন ? আর আমি বুঝব কি করে ওখানেই স্টোন আছে?
আরভিন - আর কেমন বাধা আসবে ?
উইলি - অনেক রকম দেখতে পাবে ।
আর এদিক দিয়ে যাও সামনে ঘনো বন পড়বে ওখানে অনেক রকম বিস্ট থাকবে , তারপর একটা ছোট নদী পাবে ওটা পার করে পর্বত আসবে অনেক ওখানেই কোনো একটা জায়গায় একটা অদ্ভুত প্রাণী দেখতে পাবে যেটা না ড্রাগন না পাখি ওটা কে হারাতে পড়লেই তুমি ব্লু স্টোনের মালিক হয়ে যাবে আর এই জোনের মধ্যে বানানো আমার সবই ধ্বংস হয়ে যাবে সাথে আমিও। কারণ ওটার জন্যই আমি বেচেঁ আছি এতদিন ।
আমি - তারমানে আমার জন্য আপনার মৃত্যু হবে?
উইলি - একদিক থেকে হ্যা তবে ওটা দরকার আছে, কারণ আমার বয়স হয়েছে আর অনেক দিন এখানে আছি আমার তো মরতেই হবে , এটা যদি আগে বুঝতে পারতাম তাহলে আমি ওই স্টোন অন্য কাওকে দিয়ে মুক্ত হয়ে যেতাম কিন্তু যখন এটা বুঝতে পারি যে ওটার জন্যই বেঁচে আছি ততখন অনেক দেরি হয়ে গেছে কারণ আমার মধ্যে ওটাকে উদ্ধার করার মত শক্তি ছিল না । ছাড়ো তোমরা যাও আমার শক্তি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছে ।
আমি - আচ্ছা আর এক কথা , আপনি তো লাইটিং কিং তাই না ? তারমানে বাকিরাও আছে নিশ্চয় ?
উইলি - প্রশ্ন শুনে শুধু হেসে চলে যেতে লাগলাম তারপর আর একটা কথা এখান থেকে কিছু দূর গিয়ে একটা বেরিয়ার পড়বে ওটার মধ্যে প্রবেশ করলেই সময় আবার চালু হয়ে যাবে, তবে ওখানে 1 বছর মানে বাইরে দের মাসের কাছাকাছি। তাই তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করবে ।
আমি - আমিও এগিয়ে গেলাম আমার নতুন লক্ষের দিকে।।।।।।
ফ্ল্যাশব্যাক শেষ,,,,,,,,,
।
।
।
আমি - জানি না এখন কি অবস্থা রাজ্যের , দীর্ঘ দিন কেটে গেছে । আমরা লাইটিং কিং উইলি এর সাথে দেখা করি তারপর তার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সেই হিসেবে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি এখানে প্রায় দেখতে দেখতে ৭ মাস কেটে গেছে যা বাইরের দুনিয়ায় ১ মাসের সমান। এই সাত মাসে আমরা অনেক পথ এগিয়ে এসেছি কিন্তু কোনো নদী চোখে পড়েনি এখনো জঙ্গলের মধ্যে ফেঁসে গেছি , জঙ্গল টা একটা গোলকধাঁধার মত। এখানে অনেক বিস্ট মেরেছি আমরা তবে মনে হচ্ছে আমরা একই জায়গায় বারেবারে ফিরে আসছি ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
মিও - প্রায় একমাস হয়ে গেলো এডোয়ার্ড এর কাছে আমরা হেরে গেছি , সকল মানুষের উপর এডোয়ার্ড অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে , একাডেমি থেকে অনেকে আটকাতে গিয়ে অনেকেই মারা পড়েছে অনেক কেই আবার বন্দী বানানো হয়েছে । কিং হেরে যাবে এটা ভাবতে পারিনি , ১৬ দিন একভাবে লড়াই করার পর কিং হেরে গেছে তবে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি । চারিদিকে এডোয়ার্ড এর সেনা ঘুরে বেড়াচ্ছে । আমরা লুকিয়ে আছি ডেথ ফরেস্ট এর কাছে । আমি , এলিসা , নীলি , নাঈম , এরিয়েল , কেভিন , মাইরা , গ্রুথ , হ্যারি , ক্যারি , রিবা, লিও আর হ্যালি আমরা এই কজন এখন লুকিয়ে আছি। আমরা শুধু একটা সুযোগের অপেক্ষায় আছি। তাছাড়া আমাদের শক্তিদিয়ে এডোয়ার্ড কে হারাতে পারবো না তবে হার মানলেও হবে না। আমরা শুধু লুকিয়ে আছি আর মাঝে মাঝে এদিকে আসা এডোয়ার্ড এর সেনাদের মারছি। আপাতত তিনজন মারাত্মক আহত , লিও আর কেভিন ও রিবা এদের অবস্থা খুবই খারাপ । এরা খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে ছিল রাস্তায় মুন আর রিক সামনে পড়ে গেছিলো এরা লড়াই করতে শুরু করে তবে সময় মতো নাঈম আর হ্যারি গিয়ে ওদের চোখে ধুলো দিয়ে এদের নিয়ে চলে আসে। কি করবো ঠিক জানি না তবে এখানে বসে থাকলে হবে না , যাহোক করে কিং কে খুজে বের করতে হবে ও বাকি জেনারেল দের পেলে তো আরো ভালো। বাকি রাজা দেরও বন্দী বানানো হয়েছে । এখনো পর্যন্ত ভেনিয়া রাজ্য ঠিক আছে কারণ সেখানে ফায়ার কিং এর বেরিয়ার যেখানে রাজার আদেশ ছাড়া ঢুকতে পারে না কেও । এমনকি আমিও গেলে সেটা ভেঙে ঢুকতে পারবো না । ফায়ার কিং নিজের সর্ব শক্তি দিয়ে ওই বেরিয়ার বানিয়ে ছিল এবং তার কিছু শক্তি দিয়ে ওখান কার রাজার তাজ বানিয়ে দিয়েছিল যাতে সে সেখানে মানুষ কে প্রবেশ ও বাইরে যেতে সাহায্য করে । তাই ওই রাজ্য এখনো সুরক্ষিত আছে তব সেটা কতদিন কে জানে। অনেক মানুষ কেই ভানিয়া তে রেখে আসা গেছে কিন্তু বাকিরা এডোয়ার্ড এর সেনার অত্যাচারের মধ্যে আছে। না জানি নীল আর ওই আরভিন নামের ছেলেটি কোথায়?
নীলি - ম্যাম এভাবে কতদিন ,? এখন তো খাবারও শেষ । তারপর প্রতি রাজ্যের অবস্থা খারাপ । আমার আম্মু বাবা ও বাকিদের ফ্যামিলি ও তো ঠিক নেই , আমরা এভাবে বসে কদিন থাকবো ।
হ্যারি - নীল কেও খুজে পাওয়া যায়নি , জানিনা বেঁচে আছে নাকি ?
নাঈম - নীলের কিছু হব না ও ভালই থাকবে ।
মিও - নীল জানি না কোথায় ওর সাথে মাইন্ড কানেকশন ও করা যাচ্ছে না আর আরভিন কেও ।জানিনা কি অবস্থা। ঠিক আছে কদিন দাড়াও আমরা একে একে গিয়ে মানুষ দের মুক্ত করবো আর তাদের ভেনিয়ার কাছে রেখে আসবো । তার আগে একটা প্ল্যানিং করত হবে ।
নীলি - না জানি নীলের কি অবস্থা ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
এডোয়ার্ড - তো কি খবর বলো
মুন - লর্ড আমাদের সামনে কিছুজন পড়েছিল তাদের সাথে ফাইট হয়েছে তারা হারার মুখে ছিল কিন্তু কারা এসে ওখানে ধোঁয়ার সৃষ্টি করে তারপর ওখানে কাওকে পায়নি , আমার মতে কেও এখন আছে যারা আমাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে ।
এডোয়ার্ড - যাক বিরুদ্ধে আমার কিছু করতে পারবে না । যাকেই দেখবে অমন তাকেই সেখানে শেষ করে দেবে । আর ওই রাজ্যে যাওয়ার কোনো বেবস্থা হয়েছে ।
মুন - চেষ্টা চলছে লর্ড , কিন্তু সেটা কে ভাঙ্গা প্রায় অসম্ভব ।
এডোয়ার্ড - হ্যা ওটা আমিও পারলাম না ভাঙতে । অন্য কোনো উপায় দেখত হবে ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
আরভিন - আমার মনে হচ্ছে এখানে সময়ের কিছু প্রভাব আছে। এখান তাই টাইম লুপের মত আছে যেটাই আমরা আটকে আছি।
আমি - হুম তবে আমরা একটা কাজ করিনি , আর একই ভুল বার বার করে যাচ্ছি।
জেসি - কি ভুল
আমি - আমরা এতক্ষণ পর এটা বুঝতে পারলাম যে আমরা এখানে আটকে আছি , আর একই রাস্তা দিয়ে একই জিনিস করতে করতে গেছি কিন্তু অন্য কোনো ভাবে করলে হয়তো আমরা বেরিয়ে যেতে পারি। যেমন আমরা যেখানে বাম দিকে গেছি ওখানে ডান দিকে বা সামনে দিকে এভাবে গেলেই তো হয়।
আরভিন - আমার মনে হয় ওর বুড়ো সব ভুলে গেছে , নীল বেরিয়ার তার মধ্যে সময় বললো চালু হয়ে যাবে কিন্তু এটা ভুলে গেছে এখানে এমন আছে।
আমি - না অনেকদিন আসেনি সে তাই তার মাথায় সব কিছু নেই। আমার মনে হয় এই বেরিয়ার এর একটা শেষ দিক তো আছে যেখান দিয়ে বেরোলেই আমরা নদীর সন্ধান পেয়ে যাবো।
জেসি - এক মিনিট
আমি - কি
জেসি - একটা জিনিস মাথায় এলো আমার।
আরভিন - কি
জেসি - আমরা এখানে আছি প্রায় 20 থেকে 25 দিন। আর তোমরা সব সময় বিস্ট গুলোর সাথে ফাইট করেছো কিন্তু সব বিস্ট ই তোমাদের উপর ম্যাজিক ব্যবহার করেছে তাও একই রকম ।
আমি -। তাতে কি হয়েছে?
আরভিন - না না নীল মনে কর একটা বিস্ট আমাদের উপরে ফায়ার স্কিল ইউজ করে ছিল যেখানে বাকি সবাই এনার্জি এর উপর ডিপেন্ড ছিল।
আমি - তো এই বিস্ট কে এখন খুঁজতে হবে ?
জেসি - আরে না ওই জায়গা টা । ওই খানেই আশে পাশে বেরোনোর কিছু থাকবে মনে হয়।
আমি - ঠিক আছে , আমার যত মনে আছে ওই বড়ো গাছের ক,,,,,,
আরভিন - কি হলো ? আরে দৌড়াচ্ছ কেনো আরে বলবি তো ?
জেসি - চলো ও মনে হয় কিছু পেয়েছে
আমি - দৌড়ে সেই গাছের কাছে এলাম , যাক রাস্তা টা ঠিক মনে ছিল । ভাগ্যিস গাছটা পেলাম , এটাই একমাত্র গাছ যেটা এত বড় বাকি গুলো ছোট একই সাইজের । এটা প্রথমে কিছু না মনে করলেও এখন এটাই ভরসা এখানেই পাবো বেরোনোর রাস্তা।
আরভিন - কিছু পেলি নীল?
আমি - গাছ টা দেখ আর বাকি গুলো দেখ
জেসি - আরে এটার সাথে কি সম্পর্ক,,,,, আরে সেটাই তো ,, গাছের দিকে তাকিয়ে ভালো করে দেখলাম বাকি গাছ গুলো একই সাইজের এটা অনেক বড়।
আরভিন - আমি উপরে গিয়ে দেখি। উপরে উঠতে উঠতে অনেক উপরে উঠে দেখি চারিদিকে শুধু জঙ্গলের জঙ্গল নদীর দেখা নাই। ধুর বলে নেমে পড়লাম।
আমি - কি হলো কিছু পেলি
আরভিন - না , শুধু জঙ্গল ছাড়া কিছু নেই ।এখানেই পরে থাকতে হবে , বলেই গাছ তাই ঠেস দিয়ে বসতে গেলাম আর ঢুকে গেলাম ভিতরে ।
আমি - আরভিন আরভিন ,
জেসি - অত ভিতরে ঢুকে গেল , কিন্তু কিভাবে ?
আমি - এটাই রাস্তা , চলো ঢুকে পরি । এদিকে ঢুকে ওদিকে বেরোলাম দেখলাম সামনেই বড়ো একটা নদী।
নদী পেরিয়ে আর একটা জঙ্গল পড়লো সেখান থেকে আর একটু যেতেই অনেক পর্বতের দেখা মিললো। তাহলে পেলাম সন্ধান । আর এগিয়ে লাভ নেই । এখানে রেস্ট নিতে হবে কারণ এখানে আবার ফাইট করতে হবে স্টোনের জন্য।
আরভিন - হ্যা কিন্তু কিছু দেখতে তো পাচ্ছি না সামনে ।
জেসি - দাদু বলল তো এখানেই ওই বিস্ট টা থাকবে , আর ওকে হারাতে পড়লেই স্টোন পেয়ে যাবে ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
আলফা এক্স প্ল্যানেট ***----
ডেভিড ওয়ার্মেন - না আরভিন এর সাথে কোনো কনেকশন পাচ্ছি না । এতদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
একটা ছেলে - তাহলে কি করবো , লিডার কে না পেলে এখন তো সমস্যা , বলেছিল ১ মাস পর চলে আসবে কিন্তু এখন তো ২ মাস হতে চললো।
একটি মেয়ে - আমার মনে হচ্ছে কিছু প্রবলেম হয়েছে ট্রাভেলের সময় , ও ঠিক বেরিয়ে পরবে, তবে আমাদের ওকে ট্রাক করতে হবে। চেষ্টা চালিয়ে যাও।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
সুপ্রিম আর্থ **-----
মিও - প্ল্যান হিসেবে কাজ করবে সবাই , মনে রাখবে আমরা ধরা পড়লে ওদিকে লিও ওরা মারা পরবে। লিও দের শরীরের অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছিল তাই খাবার ও মেডিসিন এর জন্য আমি নীলি, হ্যারি আর এলিসা বেড়িয়েছি । প্ল্যান মত হলে সব ব্যবস্থা করে বাকিদের কাছে যেতে পারবো ।
নীলি - ম্যাম ওই জে ওখানে মনে হয় মেডিসিন পেয়ে যাবো বলেই দৌড়ালাম ওদিকে ।
মিও - নীলি বলেই দৌড়ালো । নীলি দাড়াও বিপদ থাকতে পারে , তখনই একটা ব্লাস্ট হলো নীলির ওখানে । চারিদিকে আগুন আর আগুন , নীলি,,,,,,,,,,,,
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
চলবে ,,,,,