••••••••° কিং অফ ম্যাজিক °••••••••
✓
✓
✓
✓
✓✓ লেখক নীল আহমেদ
✓
✓
✓
✓
✓✓ পর্ব ১৭✓✓
✓
✓
✓
(গল্পটি কাল্পনিক , বাস্তবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই)
।
।
।
।
মিও - এখানের কাজ শেষ, এবার ওদের কাছে যেতে হবে । বেশি সময় নষ্ট করলে হবেনা ।
অন্যদিকে , কি বলছো আলমেডো আর নেই । বাকিরা তো আছে । কাজ শেষ করেই ওরা আসবে । এই যুদ্ধে জয় আমার হবে ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
নাঈম - নিজের বোনের এই অবস্থা আর এরিয়েল এই অবস্থা দেখে ,,,,, রাগে ফেটে পড়লাম,। নি,,,,,, ল,, ল,, বলে চিল্লিয়ে উঠলাম।
আমি - হঠাৎ জোড়ে নাঈম এর আওয়াজ শুনতে পেয়ে পিছন ফিরে দেখি , যা দেখি সেটা দেখে সামলাতে পারিনা । কালো ধোঁয়া গুলো কেটে গেছে , ছুটে গিয়ে নীলি এর এরিয়েল কাছে গেলাম। এই নীলি নীলি ওঠো , নীলি। এরিয়েল কি হলো ওঠো বলছি।
ওরা আর উঠবে বলে মনে হয় না। তার থেকে ভাল ওদের সাথে তোমাদেরও পাঠিয়ে দিই উপরে । হাহাহা।
হ্যারি - তোরা কে ? এদের এমন করলি কেন?
ছেলেটি - ওহ হা ভুলে গেছিলাম পরিচয় দিতে , আমি বেনোর্ড আর এ আমার বোন মুন । আমরা এসেছি তোমাদের শেষ করতে ।
নাঈম - তোরা যেটা করেছিস এর ফল তোদের ভোগ করতে হবে । এই বলেই ওদের দিকে ছুটে গেলাম। মুন নামের মেয়েটি একটা ডার্ক বল বানিয়ে ছুড়লো আমি সেটা এড়িয়ে যায় , তবে তারপরই একটা দড়ির মত কি আমাকে পেঁচিয়ে ধরে । তারপর অনেক এয়ার ব্লেড লাগে শরীরে, এভাবে অনেকক্ষন ধরে আমার উপর অ্যাটাক চলার পর , হ্যারি ওদের অ্যাটাক শুরু করে , তারজন্য ওরা আমাকে ছেড়ে দেই , আমি নিচে পড়তে থাকি ।
হ্যারি - নাঈম কে বেধে ফেলার পর ওর উপর অ্যাটাক করলে , আমি ওদের দিকে যায় , দুজনের সাথে লড়তে গেলাম কিন্তু মেয়েটি দূরে সরে গেলো , শুধু ছেলেটার সাথে ফাইট করছি । মেয়েটির লক্ষ্য নীলের দিকে , হয়তো মেয়েটি নীলের সাথে লড়াই করবে । ছেলেটি অনেক ম্যাজিক পাওয়ার ইউজ করছে । তাই আমিও ফিনিক্স ফায়ার ব্যাবহার করলাম ছেলেটির উপর । কিন্তু সেটাতে কিছু হলো না । ছেলেটি এয়ার ব্লেড ইউজ করলো অনেক । সব কটা আমার দিকে আসছে ।।ওগুলো থেকে বাঁচার চেষ্টা করছি । তখনি আবারও সেই রকম একটা দড়ির মত কি গোটা শরীর পেঁচিয়ে ধরলো। কিছু করার আগে সব ব্লেড গুলো আমার দিকে আসছে । আমি বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি । হুট করে নাঈম সামনে এসে দাড়িয়ে গেলো যার ফলে সব এয়ার ব্লেড ওর শরীরে লাগলো। নাঈম,,,,,,
নাঈম - আমার কাছে আর এনার্জি নেই এদের সাথে লড়াই করার মতো । তাই এমন করলাম । মনে রাখবি এখানে হেরে যাওয়া মানে মরে যাওয়া।
আমি - এরিয়েল আর নীলির দিকে এত ব্যাস্ত ছিলাম নাঈম ও হ্যারির কথা মাথা থেকে উঠে গেছিল। ওদের দিকে তাকাতেই আর একটা শক খেলাম। নাঈম মাটিতে পড়ে আছে , হ্যারির চোখে পানি আর ও একটা দড়ির মত কিসে বাধা আছে । দেখলাম একটা ছেলে ও একটা মেয়ে আছে , ছেলেটি হ্যারি কে বেধে রেখেছে আর মেয়েটির নজর আমার দিকে। আমি উঠে ওদের দিকে দৌড় দিলাম। ছেলেটির দিকে , ছেলেটির কাছে গিয়ে ওকে মারতে যাবো তার আগে ছেলেটি কিছু এয়ার এনার্জি সংগ্রহ করে একটা পাঞ্চ করে অনেক টা দূরে গিয়ে পরি। তারপর আবার নিজের শক্তি গুলো জাগিয়ে তুলি । চারিদিকে নীল এনার্জি বের হচ্ছে । হাতে একটা লাইটিং এর সোর্ড বানালাম , ছেলেটার দিকে এগিয়ে গেলাম , তখনি কি একটা এসে লাগে শরীরে ছিটকে পড়ে যায় । দেখি মেয়েটি অ্যাটাক করলো। আমি আর্থ এট্রিবিউট ইউজ করে নিচে থেকে গাছের কিছু শেখর বের করে ছেলেটা কে আটকে ফেলি । হ্যারী কে ছাড়িয়ে ফেলি। তারপর ফায়ার বল বানিয়ে মেয়েটির দিকে ছুঁড়ে দি। হ্যারির দিকে ছুটে যাচ্ছিলাম। অনেকের ক্ষতি হয়েছে হ্যারির কিছু হতে দিলে হবে না। কিন্তু হঠাৎ দাড়িয়ে পরি । পিছে ব্যাথার অনুভব করলাম। মুখ দিয়ে পেটে দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে বুঝতে পারছি। হালকা পিছে ফিরে দেখি মেয়েটি লেজার বিমের মত কালো রঙের একটা ডার্ক বিম ধরে আছে । তখনি সেদিনের সপ্নের কথা টা মনে পড়ে গেলো , এমনি দুজন কে দেখেছিলাম। তারমানে কিছু ভবিষ্যৎ আমি আগেই দেখে ফেলেছিলাম। ছেলেটি হাতের মধ্যে ফায়ার এনে আমার দিকে এগিয়ে আসছে । ভাবলাম এই বুঝি সব শেষ । কিন্তু তখনি সামনে একজন দাড়িয়ে পরে । চারিদিকে তার সাদা এনার্জি ছড়াচ্ছে । ছেলেটি কে একটা পাঞ্চ মারে তার পর স্পিড এ গিয়ে মেয়েটি কে । দুজনেই ছিটকে পড়ে। ভালো করে দেখলাম এজেন্ট মিও।
মিও - অনেক ভালো কাজ করেছো তোমরা। কিন্তু এখন রেস্ট করার সময়। এদের শেষ করে তোমাদের দেখছি । রেস্ট করো এখন।
আমি - ম্যাম, ম্যা,,,,, ম। নীলি এরিয়েল আরভিন নাঈম এরা , এরা কি করেছে দেখুন ওদের অবস্থা।
মিও - কিছু হয়নি নীল, তোমাকে এত টা ভেঙে পড়া মানায় না। ওদের কিছু হয়নি ওরা বেচেঁ আছে ।যাও রেস্ট করো।
আমি - ওদের আমি ছাড়বোনা ম্যাম, ওরা আমার বন্ধুদের এই অবস্থা করেছে । দেখলাম আরভিন উঠে আসছে, হালকা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ,শুধু ও না হ্যারি ও নাঈম ও দেখি আসছে উঠে। বুঝলাম এরা লড়তে চাই।
মুন - ভালই তো একেবারে সবাই কে মেরে এখান থেকে যেতে হবে ।
আমি - নীলি আর এরিয়েল পরে আছে মাটিতে । শ্বাস চলছে তবে ধীরে ধীরে। নাঈম আর হ্যারি দাড়িয়ে আছে তবে নাঈম অনেক হাফাচ্ছে। হ্যারির চোখ মুখে রাগ। আরভিন দেখি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে । তখনি মেয়েটি দুটি ডার্ক বিম ছুড়ে মারে। যখন বুঝতে পারি তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে , সপ্নের মত এবার সত্যি হ্যারি আর নাঈম নিচে পড়ে গেল।
মুন - দুর্বল দের জন্য এই ফাইট না । তাই সরিয়ে দিলাম আগে থেকে। এবার আসো দেখি।
মিও - তোমরা যাও এখান থেকে তোমাদের কাজ শেষ।
আমি - কিন্তু ম্যাম
মিও - দেখো নীল আমি জানি তুমি শক্তিশালী , কিন্তু আমি জেনে শুনে তোমাকে এত বড় বিপদে রাখতে চাইনা। তোমরা কোথাও লুকিয়ে পরো আমি তোমাদের খুজে নেব ঠিক।
আরভিন - হ্যা নীল ম্যাম ঠিক বলছে এই সময় আমরা এখানে থাকা মানে ম্যাম ভালো ভাবে লড়াই করতে পারবে না আমাদের জন্য। এর থেকে আমরা চলো যায়, আমাদের কাছে এনার্জি এর অভাব ।
আমি - এখান থেকে যেতে ইচ্ছে করছে না , তাও ম্যাম কে একা রেখে । আমি যদি আমার পুরো শক্তি কন্ট্রোল করতে পারতাম তাহলে অন্য কিছু হতো। না পারি না পারি আমাকে এখানে থেকে চেষ্টা করতে হবে ।
বোকা মানুষ,,,,
আমি - কার কথা শুনতে পেলাম । আমিতো মনে মনে বলছি তাহলে আমার কথা আমাকে কে বলবে ।
আমি তোমার মনের ভিতর থেকেই বলছি ।
আমি - কিভাবে সম্ভব , কি সব বলছো
ওসব পরে ভাবলেও চলবে , এখন ভালো ছেলের মত এখান থেকে কেটে পরো। নাহলে আর বেঁচে ফিরতে পারবেনা।
আমি - না যাবো না , এখানে আমার বন্ধুরা পরে আছে এদের ফেলে রেখে যাবো না ।
থেকে থেকে এরকম একজনের কপালে আমি, ধুর,, আরে ওদের কিছু হবে না , তোমার সামনে থাকা ওই মেয়েটি না মানে তোমাদের ম্যাম এর কাছে অনেক পাওয়ার অনুভব করতে পারছি, তাই উনি সামলে নেবে , তুমি আর এই ছেলেটা কে নিয়ে চলে যাও।
আরভিন - ওই নীল কি ভাবছিস , চল ।
আমি - হ্যা হ্যা , চল,,,
তুমি কে ?(মনে মনে)
পরে জানবে এখন যাও।।
আমি - সবার কথা শুনে আমি পিছিয়ে এলাম। আমাদের চলে যাওয়াতে ওই ছেলেটা আমাদের উপর অ্যাটাক করে কিন্তু ম্যাম সেটা থেকে আমাদের বাঁচিয়ে দেই । ম্যাম ওদের সাথে ফাইট করতে থাকে । আমরা চলে আসি ওখান থেকে। কিছুদূর গিয়ে একটা বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করলাম। ভিতরে কিছু আওয়াজ শুনে আস্তে আস্তে করে ওদিকে যাচ্ছিলাম দরজা দিয়ে হালকা মুখ বের করতেই মুখের উপর দুটো কাঁচের কি এসে লাগলো, মুখে হাত দিয়ে চিল্লাতে লাগলাম কোন হারামী রে ।
আরভিন - আরে কি হল , এভাবে শুয়ে পড়লি কেনো ?
আমি - দেখলিনা মুখের উপর কাঁচের প্লেট ছুড়ে মারলো কে , দেখত ভিতরে কে আছে ।
আরভিন - এই কে আছেন বলে আমিও যেমনি মুখ বাড়িয়ে ঢুকতে যাবো একটা কাঠের চেয়ার এসে লাগলো, ওরে মারে , মুখ ভেঙে দিল।
চলে যান চলে যান বলছি এখান থেকে।
আমি - কারো আওয়াজ শুনে তাকিয়ে হা হয়ে গেলাম, এত সুন্দর মেয়ে ভাই জীবনে দেখিনি। কিন্তু মনে পড়লো এই মেয়েই মুখ ফাটিয়েছে আমার। ওই ছেমরি, এভাবে মারছেন কেনো সবাই কে?
আপনারা কারা , আপনারা কি চান ? আমাকে মারবেন না , আমি কিছু করিনি
আমি - পাগল টা কে আমরা না এই মেয়েটা । এই মুখ ফাটিয়ে বলছে কিছু করিনি। আচ্ছা কি সমস্যা বলেন ।
মেয়েটি - আমি জেসি, এটা আমাদের বাড়ি। এই শহরে কারা আক্রমণ করেছে। সবাই পালিয়েছে অনেকে মারা গেছে , আমি পালাতে পারিনি। তাই লুকিয়ে বসে ছিলাম আপনারা এলেন । আমি ভাবলাম আপনারা ওদের দলের ।
আমি - কাদের দল?
জেসি - এইতো যারা এই শহরে না এই রাজ্যের এই অবস্থা করেছে ।
আমি - আমরা এই রাজ্য কে বাঁচাতেই এসেছি। কিন্তু এখন অবস্থা আমাদেরই খারাপ ।
জেসি - আচ্ছা দাড়ান , আপনাদের একটু চিকিৎসা করে দি। আসেন আমার সাথে।
আমি - মেয়েটি আমাদের একটা রুমের মধ্যে নিয়ে গিয়ে আমাদের ক্ষত স্থানে এক ধরনের ক্রিম লাগিয়ে দেই তারপর সেখানে ব্যান্ডেজ করে দেই। মেয়েটির সাথে কথা হয়ে জানতে পারলাম। মেয়েটির কেও নেই । একটা মেডিসিন শপ আছে সেখানে নানান রকম মেডিকিট পাওয়া যায়। এই শহরে অ্যাটাক হওয়ার সময় এনার শপ ভেঙে যায় এবং অনেকেই মারা যায় , এবং সে ভয়ে ঘরেই লুকিয়ে থাকে। কিছুক্ষণ রেস্ট নেওয়ার পর মেয়েটি কে নিয়ে আমরা বেরিয়ে পরি। এখান থেকে দূরে যেতে হবে ।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
অন্যদিকে ম্যামের সাথে ছেলেটির লড়াই চলছে । ছেলেটি অনেক শক্তিশালি হলেও ম্যামের কাছে টিকতে পারছে না , যার দরুন ছেলেটি খুবই রেগে আছে ।
মুন - কিরে হলো তোর , নাকি আমাকে যেতে হবে ।
বেনোর্ড - না আমি পারবো, এবার একে কেও বাঁচাতে পারবে না । এনার্জি রোপ, ইউজ করে বেধে ফেললাম। কিন্তু অনেক্ষন হবার পর ও তার এনার্জি আমার কাছে আসছে না। কি হলো বুঝতে পারলাম না। তখনি পিঠে একটা পাঞ্চ লাগলো, সামনে দিয়ে ছিটকে অনেক টা দূরে পড়লাম। উঠে দেখি ওখানে দুজন আছে । কি ব্যাপার একজনই দুটো কি করে হয়। হুট করে একটা চোখের সামনে ধোঁয়া হয়ে গেলো। তাহলে এই সে যার কথা বলছিল , যে এনার সাথে লড়াই করা মানে মৃত্যুর সাথে লড়াই করা। আচ্ছা এই জন্য এনার্জি আসছিল না কারণ ওটা একটা ক্লোন ছিল।
ম্যাম - পড়ে থাকবে না এসে লড়াই করবে ?
বেনোর্ড - রেগে গেলাম । অ্যাটাক শুরু করলাম । কিন্তু কিছু তেই কিছু হচ্ছে না।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
আমি - মেয়েটি আর আরভিন আমরা উত্তরের দিকে যাচ্ছি, কারণ উত্তর দিকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যাওয়া যাবে এই রাজ্য থেকে। যদিও আমার পালানোর ইচ্ছে ছিল না , কিন্তু আমার চিন্তা বদলে গেছে এখানে যারা আছে লুকিয়ে বা কোনো সমস্যার মধ্যে তাদের এখান থেকে বের করা । আপাতত আমার পিছনে 20 জন আছে এই রাজ্যের যাদের অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য বের করতে হবে । এই রাজ্যে থাকা যাবে না । আপাতত পাঁচটা দলের সাথে লড়াই হয়েছে আমাদের যারা রাস্তার মধ্যে এসেছিল আমাদের আটকাতে।। সবাই কে মেরে এগিয়ে যাচ্ছি। এখন আমার শরীর এর অবস্থা খুব ভালো না । ওদের সাথে লড়াইয়ের সময় ওদের কারো সোর্ড এ পইজন দেওয়া ছিল যেটার জন্য ডান কাধ অবশ হয়ে আছে ।
হ্যালো, নীল ।
আমি - আবার কি
কেমন আছো, বিষ টা ছড়িয়ে পড়ছে , যা দেখছি আর ঘন্টাখানেক এর মধ্যে ভালো ভাবে হিল না করলে গোটা শরীর অবশ হয়ে যাবে ।
আমি - সেটা আমিও বুঝতে পারছি।
চিন্তা নেই ব্রো, আমি জেগে গেছি। এখুনি ঠিক হয়ে যাবে ।
আমি - এটা ইকারাস এর আওয়াজ। ও তো বলেছিল এখন জাগবে না ,তো হঠাৎ।
ইকারাস তুমি এখন হঠাৎ।
ইকারাস - হ্যা , আমি , তুমি আগের থেকে অনেক শক্তিশালী হয়ে গেছো। তাই আমার শক্তি নিতে পারবে তাই ঘুম ভেঙে গেছে। তার আগে বলো এ তোমার শরীরে কি করছে ।
হ্যালো, ইকারাস।
ইকারাস - তুই এখানে কি করিস। তুই ব্যাটা এখনো বেঁচে আছিস কি করে ।
আমার মৃত্যু নেই। আমি আবার বেচেঁ আছি নীলের মধ্যে, না ভুল হলো, নীল ই তো আমি হাহাহা।
ইকারাস - নীল এটা কি বলছে ।
আমি - আমি নিজেই জানি না কি বলছে হুট করে আজ উদয় হয়েছে । আমি বুঝতেই পারছি না আর কি কি আছে আমার মধ্যে।
।
।
।
।
আপাতত আমি ছাড়া আর অন্য কিছু নেই।।।।।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
চলবে,,,,,,,,